April 10, 2026, 3:06 am

সংবাদ শিরোনাম
সাড়ে চার কোটি বিনিয়োগ নথি ঠিক, অদৃশ্য উৎস–আয়ের শেষ গন্তব্য কোথায়? রংপুরে রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ আত্মীয়ের বাসা থেকে সাড়ে চার কোটির ছায়া: নথি ঠিক, উৎস অদৃশ্য নিজের অপরাধ আড়াল করতে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের অভিযোগ মেইন রাস্তার ধুলো নয়, নীরব বিষ: রংপুরে তামাক ক্রাসিংয়ের অবৈধ বিস্তার রংপুরে হামের ছায়া: সংখ্যা নয়, গল্পগুলোই বলছে আসল কথা দিনাজপুরে আশ্রম ও এতিমখানায় ৩ কোটি ৬২ লক্ষ ৮৮ হাজার টাকার চেক বিতরণ হাম-আতঙ্কের ভেতর পাঁচ শিশু, রমেকে নীরব লড়াই রংপুরে ”আলোকিতো’র প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত সাড়ে চার কোটির ছায়া: শ্বশুর সামনে, কাস্টমস্ জামাতার সংযোগ

নিখোঁজ মেয়রকে শ্রীমঙ্গল থেকে উদ্ধার

নিখোঁজ মেয়রকে শ্রীমঙ্গল থেকে উদ্ধার

ডিটেকটিভ নিউজ ডেস্ক

mostbet

রুকুনুজ্জামানঢাকা থেকে নিখোঁজ হওয়া জামালপুরের সরিষাবাড়ী পৌরসভার মেয়র ও ব্যবসায়ী রুকুনুজ্জামানকে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। জেলার পুলিশ সুপার মো. শাহ জালাল প্রথম আলোকে এ কথা জানিয়েছেন।

পুলিশের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, উদ্ধারের সময় মেয়রের হাত-পা বাধা ছিল। তবে পুলিশের পক্ষ থেকে তাৎক্ষনিক আর কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। কারা, কেন তাঁকে অপহরণ করেছে, শ্রীমঙ্গলের কোথা থেকে তাঁকে উদ্ধার করা হয়েছে, সে সম্পর্কে পরে জানানো হবে বলে জানান পুলিশের ওই কর্মকর্তা।
গত সোমবার সকাল সাড়ে নয়টার দিকে রাজধানীর উত্তরা ১৩ নম্বর সেক্টরের বাসা থেকে বের হন রুকুনুজ্জামান। এরপর থেকে তাঁর আর কোনো সন্ধান পাওয়া যাচ্ছিল না। সঙ্গে থাকা মুঠোফোনটিও বন্ধ ছিল। মেয়র পরিবারের অভিযোগ, শত্রুতার জের ধরে তাঁকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
মেয়র মো. রুকুনুজ্জামানের বাড়ি সরিষাবাড়ীর সাতপোয়া গ্রামে। একসময়ের ইতালিপ্রবাসী রুকুনুজ্জামান বিএনপির সক্রিয় কর্মী ছিলেন। ২০১৪ সালে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে আওয়ামী লীগে যোগ দেন। পরের বছর আওয়ামী লীগের হয়ে নির্বাচন করে মেয়র নির্বাচিত হন। তৈরি পোশাকের ব্যবসাও আছে তাঁর। একই সঙ্গে একটি বায়িং হাউসেরও মালিক। ব্যবসায়িক কার্যক্রম দেখাশোনার জন্য উত্তরায় একটি বাসা ভাড়া নিয়ে থাকেন তিনি। সঙ্গে থাকতেন দেহরক্ষী, এক ভাতিজা, গাড়ির চালক এবং এলাকার আরও দুই ছেলে।
নিখোঁজ হওয়ার প্রায় ১২ ঘণ্টা আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ‘মেয়র রুকুন’ নামের আইডি থেকে একটি স্ট্যাটাস দেওয়া হয়। তাতে বলা হয়, ‘…নতুন প্রজন্মের কাছে আমার আহ্বান যে আমাকে হত্যা করা হলেও তোমাদের সিক্ত ভালোবাসা যেন অটুট থাকে এবং আমার উন্নয়নের ধারাবাহিকতা তোমরা ধরে রাখবা।’
নিখোঁজের পর পৌর মেয়রের বড় ভাই সাইফুল ইসলাম বলেন, মেয়রকে স্থানীয় এক ঠিকাদার সম্প্রতি হুমকি দেন। এ ঘটনায় থানায় জিডি করা হয়েছিল।

Share Button

     এ জাতীয় আরো খবর